দ্রুত বীর্যপাত স্থান : কারণ ও স্থায়ী সমাধানের পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন (ধাপে ধাপে)
যৌন স্বাস্থ্য নিয়ে আমাদের সমাজে অনেক ট্যাবুর কারণে অনেক পুরুষই দ্রুত বীর্যপাত (অকাল বীর্যপাত) সমস্যাটি নিয়ে মুখ খুলতে চান না। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, সারাদেশে প্রায় ৩০% থেকে ৪০% পুরুষের জীবনে কোনো সমস্যা হয় না। এটি কোনো দীর্ঘস্থায়ী রোগ নয়, সঠিক পদ্ধতি এবং জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের মাধ্যমে এটি কার্যকর করা সম্ভব।
আজকের এই ব্লগে আমরা জানবো কেন এটি হয় এবং ধাপে ধাপে এর স্থায়ী সমাধানের উপায় কী কী।
১ । দ্রুত বীর্যপাত আসলে কী?
সহজব্ধ, যদি যৌন মিলনের সময় আপনার বা সাঙ্গীর কাঙ্ক্ষিত দেখতে অনেকগুলি ১- (সাধারণত ৩ মিনিটের মধ্যে) বীর্যপাত যায়, তবে তাকে দ্রুত বীর্যপাত বলা হয়। এটি সত্য বীর্যপাতের উপর নিয়ন্ত্রণ না থাকার একটি অবস্থা।
২। দ্রুত বীর্যপাতের প্রধান কারণসমূহ
চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী, এই পথের ভিত্তি বড় কারণ থাকে:
মানসি কারণ (মনস্তাত্ত্বিক): অতিরিক্ত দুফশ্চিন্তা, পারর্মান্স অ্যাংজাইটি (সফল হতে পারবো কি না সেই ভয়), বিষণ্ণতা, অপরাধবোধ অথবা শুরুর দিকের যৌন অভিজ্ঞতার সময় তাড়াহুড়ো করার আবাস।
রোমোনের ভারসাম্যহীনতা (জৈবিক) শারীরিক শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, আবেগে 'সেরোটোনিন' নামক কেম প্রচেষ্টার স্বল্পতা, প্রস্টেট বা মূত্রনালীর ইনফ একত্র।
৩। এটি দূর করার কার্যকরী সমাধান (ধাপে ধাপে)
আপনি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন:
ধাপ ১: পেলভিক ফ্লোর বা কেগেল ব্যায়াম (কেগেল ব্যায়াম)
এটি বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে প্রাকৃতিক প্রাকৃতিক পদ্ধতি।
পদ্ধতি: প্রস্রাব করার সময় মাঝ পথে তা থামানোর চেষ্টা করে সেই পেশিটি কাজ করে, আপনার পেলভিক পেশি। যুগ ৩ বার এই পেশিটি ৩ সেকেন্ডের জন্য শক্ত করে ধরুন এবং ৩ সেকেন্ড ছেড়ে দিন। প্রতিবার ১০-১৫ বার রিপিট করুন। এটি আপনার বীর্য ধরে শক্তিশালী বহুগুণ পাওয়ার জন্য।
ধাপ ২: স্টপ-স্টার্ট পদ্ধতি (স্টপ-স্টার্ট টেকনিক)
মিলের সময় যখন মনে হবে আপনি উত্তরের উত্তরে পাপ এবং বীর্যপাত হতে চলেছে, ঠিক তখন সব চেষ্টা উদ্দীপনা থামিয়ে দিন। ৩০ সেকেন্ড বিশ্রাম নিন। উত্তরেজেনা কমলে আবার শুরু করুন। ৩ প্র্যাকটিস করার পর বারবারে বীর্যপাত হতে দিন।
ধাপ ৩: স্কুইজ টেকনিক (দ্য স্কুইজ টেকনিক)
উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, তখন লিঙ্গের অগ্রভাগ বা মাথাটি কয়েক সেকেন্ডের জন্য উঁচু চাপে ধরে। গ্রহনবীর্যের বেগপাত যাবে এবং আপনি দীর্ঘক্ষণ মিলন চলতে পারবেন।
ধাপ ৪: ফো-প্লে-তে গুরুত্ব দিন
সরাসরি মিলনে না গিয়ে সাঙ্গীর সাথে সময় কাটান, কথা বলুন এবং আদর করুন (ফোরপ্লে)। টার্গেট লোক বল মিল এবং উত্তরেজেনা বাড়তে থাকে, যাকে দীর্ঘস্থায়ী করে।
৪। জীবনযাত্রা সহজ কিছু পরিবর্তন
ব্ল্যাগটির এই অংশটি আপনার দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্যের জন্য খুব জরুরি:
খাদ্যাভাস: ওমেগা-৩ যুক্ত মাছ, কলা, তরমুজ, রসুন এবং বাদাম খান। ব্যাবহারিক মোস্টোস্টেরন হারন ও রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে।
ধূমপান বর্জন: ধূমপান ও অতিরিক্ত ক্যাফেইন রক্তলী সংকুচিত করে বীর্যপাতের নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে দেয়।
মানসিক প্রশান্তি: মেডিটেশন বা যোগব্যায়াম করুন। মনে রাখবেন, মিলন কোনো রেস বা ভোট নয়, এটি একটি সুন্দর মুহু।
৫। কখন সরকারের পরামর্শ নেবেন?
ঘড়োয়া পদ্ধতি এবং ব্যায়াম ৩-৪ মাস পরও যদি কোনো উন্নতি না হয়, তবে একজনেরোলজিস্ট বা সেক্সোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত। অনেক সময় কিছুডিসিন (জেমন- SSRIs) বা জেল মেডল পরামর্শ অত্যন্ত ডাক্তাররা দিয়ে থাকেন, যা কার্যকর।
উপসংহার:
দ্রুত বীর্যপাত কোনো চেষ্টার বিষয় নয়, এটি একটি সঠিক শারীরিক অবস্থা। সঠিক ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর খাবার এবং দুশ্চিন্তামুক্ত মনই আপনাকে একটি যন্ত্র ও আনন্দময় যৌন জীবন উপহার দিতে পারে।
আপনি কি এই সমস্যা সমাধানে বিশেষ কোনো ডায়েট চার্ট বায়ামের ভিডিও গাইডলাইন? আমাদের কমেন্ট করুন অথবা পরবর্তী পোস্টের জন্য অপেক্ষা করুন।


0 Comments